এই মাসের সঞ্চয় সংগ্রহের অগ্রগতি
—
সদস্যদের মোট শেয়ার × ৳১,০০০ অনুযায়ী লক্ষ্যমাত্রা।
নামাজের সময়সূচি
কুমিল্লা, বাংলাদেশ · আজকের সময়
স্থানীয় মসজিদের সময়ের সঙ্গে কয়েক মিনিট পার্থক্য হতে পারে।
📖 নামাজের নিয়ম, দোয়া, আমল ও সূরা দেখুন
শিক্ষামূলক সংক্ষিপ্ত নির্দেশিকা। ফিকহি মতভেদ বা ব্যক্তিগত পরিস্থিতিতে বিশ্বস্ত আলেমের পরামর্শ নিন। হাদিস নম্বর প্রকাশনাভেদে ভিন্ন হতে পারে।
🕌 পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নিয়ম ও রাকাত
পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ রাকাত: ফজর ২, জোহর ৪, আসর ৪, মাগরিব ৩, এশা ৪। সুন্নত ও বিতর আলাদা; হানাফি প্রচলিত রীতিতে এশার পরে ৩ রাকাত বিতর আদায় করা হয়।
- ওজু করে পবিত্র পোশাক ও স্থানে কিবলামুখী দাঁড়ান; নামাজের ওয়াক্ত হয়েছে কি না নিশ্চিত করুন।
- মনে কোন নামাজ পড়ছেন তা স্থির করে আল্লাহু আকবার বলে শুরু করুন।
- দাঁড়িয়ে কিরাআত (সূরা ফাতিহা ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্য সূরা), রুকু, সোজা দাঁড়ানো, দুই সিজদা ও মাঝখানে বসা—প্রতিটি ধাপে স্থিরতা বজায় রাখুন।
- রাকাত পূর্ণ করে শেষ বৈঠকে তাশাহহুদ, দরুদ ও দোয়া পড়ে সালাম ফিরান।
হাদিস: সহিহ বুখারি ৬৩১ (রাসুল ﷺ-এর মতো নামাজ); বুখারি ৭৫৭ (রুকু-সিজদায় স্থিরতা)।
🤲 নিয়ত: আরবি না পারলে বাংলায় হবে?
হ্যাঁ—নিয়ত মূলত অন্তরের সংকল্প। আরবিতে মুখে নির্দিষ্ট নিয়তের বাক্য বলা নামাজ শুদ্ধ হওয়ার শর্ত নয়। বাংলায় মনে স্থির করতে পারেন: “আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আজকের ফজরের দুই রাকাত ফরজ নামাজ আদায় করছি।” অন্য নামাজের ক্ষেত্রে নাম ও রাকাত বদলাবেন।
পার্থক্য: নিয়তের ভাষা আর নামাজের ভেতরের কুরআন তিলাওয়াত এক বিষয় নয়। কিরাআতের আরবি উচ্চারণ শেখার চেষ্টা করুন; বাংলা অনুবাদকে সরাসরি আরবি কিরাআতের বিকল্প ধরে নেবেন না। শেখার সময় অসুবিধা হলে আলেমের পরামর্শ নিন।
দলিল: সহিহ বুখারি ১ — আমল নিয়তের ওপর নির্ভরশীল।
💧 ওজুর নিয়ম ও ওজু ভঙ্গের কারণ
ওজুতে মুখ, কনুইসহ দুই হাত, মাথা মাসেহ এবং টাখনুসহ দুই পা—কুরআনে উল্লিখিত মূল অঙ্গ। পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে যথাযথভাবে সম্পন্ন করুন। সূরা আল-মায়িদা ৫:৬।
সাধারণভাবে ওজু ভাঙে: প্রস্রাব-পায়খানা, বায়ু নির্গমন, অজ্ঞান হওয়া বা এমন গভীর ঘুম যাতে সচেতনতা থাকে না। রক্তপাত, বমি, বিপরীত লিঙ্গের স্পর্শ ইত্যাদিতে মাজহাবভেদে বিধানের পার্থক্য আছে।
হাদিস: সহিহ বুখারি ১৩৫; সহিহ মুসলিম ২২৫ — পবিত্রতা ছাড়া নামাজ গ্রহণযোগ্য নয়।
🌿 প্রতিদিনের দোয়া, আমল ও ফজিলত
ঘুমানোর আগে: بِاسْمِكَ اللَّهُمَّ أَمُوتُ وَأَحْيَا
উচ্চারণ: বিসমিকা আল্লাহুম্মা আমূতু ওয়া আহইয়া।
অর্থ: হে আল্লাহ, তোমার নামেই আমি মৃত্যুবরণ করি ও জীবিত হই (ঘুমাই ও জাগি)।
হাদিস: সহিহ বুখারি ৬৩২৪।
ঘুম থেকে উঠে: الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُورُ
উচ্চারণ: আলহামদু লিল্লাহিল্লাযী আহইয়ানা বা’দা মা আমাতানা ওয়া ইলাইহিন নুশূর।
অর্থ: সব প্রশংসা আল্লাহর, যিনি ঘুমের পর আমাদের জীবন দিয়েছেন; তাঁর কাছেই পুনরুত্থান।
হাদিস: সহিহ বুখারি ৬৩১২।
খাওয়ার শুরুতে: بِسْمِ اللَّهِ
উচ্চারণ: বিসমিল্লাহ। অর্থ: আল্লাহর নামে। শুরুতে ভুলে গেলে: بِسْمِ اللَّهِ أَوَّلَهُ وَآخِرَهُ (বিসমিল্লাহি আউয়ালাহু ওয়া আখিরাহু)।
হাদিস: সুনান আবু দাউদ ৩৭৬৭।
খাওয়া শেষে: الْحَمْدُ لِلَّهِ
উচ্চারণ: আলহামদুলিল্লাহ। অর্থ: সব প্রশংসা আল্লাহর।
হাদিস: সহিহ মুসলিম ২৭৩৪—খাওয়া-পানের পর প্রশংসা করার ফজিলত।
ঘর থেকে বের হওয়ার সময়: بِسْمِ اللَّهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ
উচ্চারণ: বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহি ওয়া লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
অর্থ: আল্লাহর নামে; আল্লাহর ওপর ভরসা করলাম; আল্লাহ ছাড়া কোনো শক্তি বা সামর্থ্য নেই।
হাদিস: সুনান আবু দাউদ ৫০৯৫।
ক্ষমা প্রার্থনা: أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
উচ্চারণ: আসতাগফিরুল্লাহা ওয়া আতূবু ইলাইহি।
অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁর কাছে তওবা করি।
হাদিস: সহিহ বুখারি ৬৩০৭—রাসুল (সা.)-এর নিয়মিত ইস্তিগফার।
সকাল-সন্ধ্যায় তিন কুল: সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস তিনবার করে পড়ুন।
হাদিস: সুনান আবু দাউদ ৫০৮২। সূরাগুলো নিচের বিভাগে আরবি, উচ্চারণ ও অর্থসহ আছে।
নামাজের পর জিকির: সুবহানাল্লাহ ৩৩ বার, আলহামদুলিল্লাহ ৩৩ বার, আল্লাহু আকবার ৩৩ বার; তারপর একবার “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইইন কাদীর।”
ফজিলত: ক্ষমার সুসংবাদ — সহিহ মুসলিম ৫৯৭ক।
সকাল-সন্ধ্যার দোয়া (৩ বার):
بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ
উচ্চারণ: বিসমিল্লাহিল্লাযী লা ইয়াদুররু মা‘আসমিহী শাইউন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামা-ই, ওয়াহুয়াস সামী‘উল ‘আলীম। অর্থ: আল্লাহর নামে, যাঁর নামের সঙ্গে আসমান-জমিনের কোনো কিছু ক্ষতি করতে পারে না; তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
হাদিস: রিয়াদুস সালিহিন ১৪৫৭ (আবু দাউদ ও তিরমিজির বর্ণনা)।
📖 নামাজের প্রয়োজনীয় ১০টি সূরা — আরবি, বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ
বাংলা উচ্চারণ আনুমানিক সহায়িকা; শুদ্ধ মাখরাজ ও তাজবিদ শেখার জন্য ক্বারির কাছে শিখুন। অর্থগুলো সংক্ষিপ্ত ভাবানুবাদ।
সূরা ফাতিহা (১:১–৭)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ
উচ্চারণ: বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। আলহামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন। আর-রাহমানির রাহীম। মালিকি ইয়াওমিদ্দীন। ইয়্যাকা না’বুদু ওয়া ইয়্যাকা নাস্তাঈন। ইহদিনাস সিরাতাল মুস্তাকীম। সিরাতাল্লাযীনা আনআমতা আলাইহিম, গাইরিল মাগদূবি আলাইহিম ওয়ালাদ্দাল্লীন।
অর্থ: পরম করুণাময় আল্লাহর নামে। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি জগতসমূহের প্রতিপালক, পরম দয়ালু, বিচারদিনের মালিক। আমরা কেবল তোমারই ইবাদত করি ও সাহায্য চাই। আমাদের সরল পথে পরিচালিত করো—তাদের পথে যাদের তুমি অনুগ্রহ করেছ, অভিশপ্ত ও পথভ্রষ্টদের পথে নয়।
সূরা আসর (১০৩:১–৩)
وَالْعَصْرِ إِنَّ الْإِنْسَانَ لَفِي خُسْرٍ إِلَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ وَتَوَاصَوْا بِالْحَقِّ وَتَوَاصَوْا بِالصَّبْرِ
উচ্চারণ: ওয়াল আসর। ইন্নাল ইনসানা লাফী খুসর। ইল্লাল্লাযীনা আমানূ ওয়া আমিলুস সালিহাতি ওয়া তাওয়াসাও বিল হাক্কি ওয়া তাওয়াসাও বিস সাবর।
অর্থ: সময়ের শপথ, মানুষ অবশ্যই ক্ষতির মধ্যে; তবে তারা নয় যারা ঈমান আনে, সৎকাজ করে এবং পরস্পরকে সত্য ও ধৈর্যের উপদেশ দেয়।
সূরা ফীল (১০৫:১–৫)
أَلَمْ تَرَ كَيْفَ فَعَلَ رَبُّكَ بِأَصْحَابِ الْفِيلِ أَلَمْ يَجْعَلْ كَيْدَهُمْ فِي تَضْلِيلٍ وَأَرْسَلَ عَلَيْهِمْ طَيْرًا أَبَابِيلَ تَرْمِيهِمْ بِحِجَارَةٍ مِنْ سِجِّيلٍ فَجَعَلَهُمْ كَعَصْفٍ مَأْكُولٍ
উচ্চারণ: আলাম তারা কাইফা ফাআলা রাব্বুকা বিআসহাবিল ফীল। আলাম ইয়াজআল কাইদাহুম ফী তাদলীল। ওয়া আরসালা আলাইহিম তাইরান আবাবীল। তারমীহিম বিহিজারাতিম মিন সিজ্জীল। ফাজাআলাহুম কাআসফিম মা’কূল।
অর্থ: তুমি কি দেখনি তোমার প্রতিপালক হাতিওয়ালাদের সঙ্গে কী করেছিলেন? তিনি তাদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করেন, তাদের ওপর ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি পাঠান, যারা পোড়ামাটির পাথর নিক্ষেপ করে; ফলে তারা ভক্ষিত খড়ের মতো হয়ে যায়।
সূরা কুরাইশ (১০৬:১–৪)
لِإِيلَافِ قُرَيْشٍ إِيلَافِهِمْ رِحْلَةَ الشِّتَاءِ وَالصَّيْفِ فَلْيَعْبُدُوا رَبَّ هَٰذَا الْبَيْتِ الَّذِي أَطْعَمَهُمْ مِنْ جُوعٍ وَآمَنَهُمْ مِنْ خَوْفٍ
উচ্চারণ: লিইলাফি কুরাইশ। ইলাফিহিম রিহলাতাশ শিতাই ওয়াস সাইফ। ফালইয়া’বুদূ রাব্বা হাজাল বাইত। আল্লাযী আতআমাহুম মিন জূইঁ ওয়া আমানাহুম মিন খাওফ।
অর্থ: কুরাইশের শীত ও গ্রীষ্মের সফরে নিরাপত্তা ও অভ্যস্ততার জন্য তাদের উচিত এই ঘরের প্রতিপালকের ইবাদত করা, যিনি ক্ষুধায় খাবার দিয়েছেন এবং ভয় থেকে নিরাপত্তা দিয়েছেন।
সূরা মাউন (১০৭:১–৭)
أَرَأَيْتَ الَّذِي يُكَذِّبُ بِالدِّينِ فَذَٰلِكَ الَّذِي يَدُعُّ الْيَتِيمَ وَلَا يَحُضُّ عَلَىٰ طَعَامِ الْمِسْكِينِ فَوَيْلٌ لِلْمُصَلِّينَ الَّذِينَ هُمْ عَنْ صَلَاتِهِمْ سَاهُونَ الَّذِينَ هُمْ يُرَاءُونَ وَيَمْنَعُونَ الْمَاعُونَ
উচ্চারণ: আরাআইতাল্লাযী ইউকাযযিবু বিদ্দীন। ফাযালিকাল্লাযী ইয়াদুউল ইয়াতীম। ওয়ালা ইয়াহুদ্দু আলা তাআমিল মিসকীন। ফাওয়াইলুল লিলমুসাল্লীন। আল্লাযীনা হুম আন সালাতিহিম সাহূন। আল্লাযীনা হুম ইউরাঊন। ওয়া ইয়ামনাঊনাল মাউন।
অর্থ: তুমি কি তাকে দেখেছ যে প্রতিদান দিবসকে অস্বীকার করে? সে এতিমকে তাড়িয়ে দেয়, অভাবীকে খাওয়াতে উৎসাহ দেয় না। দুর্ভোগ সেই নামাজিদের, যারা নামাজ সম্পর্কে উদাসীন, লোকদেখানো কাজ করে এবং সামান্য সাহায্যও আটকে রাখে।
সূরা কাউসার (১০৮:১–৩)
إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ إِنَّ شَانِئَكَ هُوَ الْأَبْتَرُ
উচ্চারণ: ইন্না আ’তাইনাকাল কাউসার। ফাসাল্লি লিরাব্বিকা ওয়ানহার। ইন্না শানিআকা হুয়াল আবতার।
অর্থ: নিশ্চয়ই আমি তোমাকে কাউসার দান করেছি। অতএব তোমার প্রতিপালকের জন্য নামাজ পড়ো ও কোরবানি করো। তোমার বিদ্বেষীই নির্বংশ।
সূরা কাফিরুন (১০৯:১–৬)
قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ لَا أَعْبُدُ مَا تَعْبُدُونَ وَلَا أَنْتُمْ عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ وَلَا أَنَا عَابِدٌ مَا عَبَدْتُمْ وَلَا أَنْتُمْ عَابِدُونَ مَا أَعْبُدُ لَكُمْ دِينُكُمْ وَلِيَ دِينِ
উচ্চারণ: কুল ইয়া আইয়ুহাল কাফিরূন। লা আ’বুদু মা তা’বুদূন। ওয়ালা আনতুম আবিদূনা মা আ’বুদ। ওয়ালা আনা আবিদুম মা আবাত্তুম। ওয়ালা আনতুম আবিদূনা মা আ’বুদ। লাকুম দীনুকুম ওয়ালিয়া দীন।
অর্থ: বলো, হে অবিশ্বাসীরা! তোমরা যার ইবাদত করো আমি তার ইবাদত করি না; আমি যার ইবাদত করি তোমরাও তার ইবাদত করো না। তোমাদের জন্য তোমাদের ধর্ম, আমার জন্য আমার ধর্ম।
সূরা ইখলাস (১১২:১–৪)
قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ اللَّهُ الصَّمَدُ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ
উচ্চারণ: কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ। আল্লাহুস সামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ। ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ।
অর্থ: বলো, তিনিই আল্লাহ, এক ও অদ্বিতীয়। আল্লাহ অমুখাপেক্ষী। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং জন্মগ্রহণ করেননি; তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই।
সূরা ফালাক (১১৩:১–৫)
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ وَمِنْ شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ وَمِنْ شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ
উচ্চারণ: কুল আঊযু বিরাব্বিল ফালাক। মিন শাররি মা খালাক। ওয়া মিন শাররি গাসিকিন ইযা ওয়াকাব। ওয়া মিন শাররিন নাফফাসাতি ফিল উকাদ। ওয়া মিন শাররি হাসিদিন ইযা হাসাদ।
অর্থ: বলো, আমি আশ্রয় চাই ঊষার প্রতিপালকের কাছে—তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে, রাতের অন্ধকারের অনিষ্ট থেকে, গিঁটে ফুঁকদানকারীদের অনিষ্ট থেকে এবং হিংসুকের হিংসার অনিষ্ট থেকে।
সূরা নাস (১১৪:১–৬)
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ مَلِكِ النَّاسِ إِلَٰهِ النَّاسِ مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ
উচ্চারণ: কুল আঊযু বিরাব্বিন নাস। মালিকিন নাস। ইলাহিন নাস। মিন শাররিল ওয়াসওয়াসিল খান্নাস। আল্লাযী ইউওয়াসউইসু ফী সুদূরিন নাস। মিনাল জিন্নাতি ওয়ান নাস।
অর্থ: বলো, আমি আশ্রয় চাই মানুষের প্রতিপালক, মানুষের অধিপতি, মানুষের উপাস্যের কাছে—সেই আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে, যে মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয়—জিন ও মানুষের মধ্য থেকে।
সূত্র: আল-কুরআন—সূরা ১, ১০৩, ১০৫–১০৯, ১১২–১১৪। নামাজে ফাতিহা পাঠ: সহিহ বুখারি ৭৫৬।
সদস্য তালিকা
ডিজিটাল পাশ বই
আয়-ব্যয়ের সারাংশ
আয়-ব্যয়ের বিবরণ
| তারিখ | বিবরণ | ধরন | টাকা |
|---|
